বনহুগলি জেলার গ্রাম চাপাদাঙা। সেই গ্রামের মেয়ে মহুয়া। পরিপুর্ন যৌবন, সবে ১৮, শরীর এর প্রতিটি অগ্ঙে অগ্ঙে যৌবন ঝর্ছে। ফর্সা তক, উচু উচু মাই, পাতলা কোমর, কলসির মত পাছা। রাস্তা দিয়ে পাছা দুলিয়ে যাওর সময় পাড়ার ছেলেদের বুকের ভেতর ঝর তুলে দেয় সে। তবুও নিজের যৌবন কে সপে দেয়ার মত ছেলে খুজে পায় নি এখনো। বয়্স এর সাথে যৌবন জালাও বেরেছে তার্, ভালই বোঝে সে। মাঝে মাঝে গুদ এ আঙুল দেয়্, মাঝে মাঝে বালিস এ ঘসাঘসি করে। কিন্তু এভাবে কি আর Hotsexstories.in সয্য হয় প্রতি রাত্, বিছানায় সুয়ে সুয়ে ঘুম আসে না, সপ্নের রাজকুমার এর কথা ভাবে সে, যার লম্বা পেশীবহুল শরীর, রাজপুত্রের মত রঙ্, মহুয়া কে বিছানায় ফেলে চটকাবে সে, প্রতিটি অগ্ঙ থেকে যৌবন রস খাবে, তার সক্ত মোটা বারাটা গুদে ধুকিয়ে নিয়ে সোহাগি মাগির মত থাপ খাবে মহুয়া। ভাবতে ভাবতে গুদে হাত দিয়ে দেখে রসে চটচট করছে গুদটা।

কবে যে আসবে সেই ছেলে, রাগ হয়্, ঘুম এসে যায় মহুয়ার্। এভাবেই কাটছে তার যৌবন এর দিন গুলো। তবে পরাগ এর গন্ধ যে কখন ডালে ডালে মৌমাছিদের নাকে চলে গাছে তা ফুলও টের পায় নি। পাশের গ্রাম এর জমিদার তারক চৌধুরির নায়েব বিধানবাবুর তরফে বিয়ের প্রস্তাব গেল মহুয়ার বাবার কাছে। মধ্যবিত্ত বাবা তার একমাত্র মেয়েকে জমিদার বাড়ির চৌকাঠ এ তুলে দিতে সেই প্রস্তাব এ সম্মতি দিতে একপ্রস্থও দেরি করল না। আর এই সব এ হল মহুয়ার কোনও সম্মতি ছারাই। বছর ৪০ এর প্রায় বুড়ো নায়েব যার প্রথম বউ মারা গাছে, শরীর এ বয়স এর ছাপ স্পস্ট্, হাটুর বাথার ওষুধও খান ডাক্তার এর পরামর্শে, তবু বাড়ায় জাপানি তেল লাগিয়ে বাইজী বাড়ি যান নিয়্মিত। এর আগে গ্রামের এক কিশোরী কে ধর্ষনও করে দুঃচরিত্র নায়েব।

জমিদার বাড়ির হস্তখ্খেপ এ পারও পেয়ে যান। ও গ্রামের মুনিব ডাক্তার এর কাছে মহুয়ার শরীর এর বর্ননা শুনে আর ঠিক থাকতে পারেননি নায়েব, ওই বয়স এর সব মেয়েই ঋতুস্রাব এর সমস্যায় মুনিব ডাক্তার এর কাছেই যায় কিনা, আর তার মধ্যে মহুয়াই সব থেকে রূপবতি, ৠযুবতিও বটে, ডাক্তার এর কথায় “চোদার জন্য একদম তৈরি টাটকা মাল” বাঈজী বাড়িতে মদ এর গ্লাস এ চুমুক মেরে হাসতে হাসতে ডাক্তার বলে নায়েবকে। তার পরেই প্রস্তাব পাঠায় নায়েব্।ঘটা করে বিয়ে হয়ে গেল মহুয়ার। বাবা মা এর উপর অভিমান এ মুখ বুজে থাকলো মহুয়া। “ভরা যৌবন এ উত্তির্নো মেয়েকে কিভাবে ওই বুড়ো হারামজাদাটার হাতে তুলে দিতে পারলে তোমরা” বিদায় বেলায় চোখের জল ফেলতে ফেলতে যেন সেটাই জ্বিজ্গাসা করছিল মহুয়া।

বাবা মা উত্তর দিতে পারেনি, মাথা নিচু করে ছিল। গাড়িতে উঠে বিদায় নিল মহুয়া। গভীর রাত এ গাড়ি চললো পাসের গ্রাম এ নায়েব এর বাড়ির উদ্দেশ্যে। মাঝে মুকুটপুর এর জঙ্গল, গভীর অন্ধকার্, জনমানবের চিহ্ন নেই। বুড়ো নায়েব ইতিমধ্যেই শয়্তানি সুরু করেছে। গাড়ির পিছন সিট এ নতুন বৌ কে একা পেয়ে তার বাড়া শক্ত হয়ে উথেছে, ধুতির দিকে চোখ পরল মহুয়ার, নায়েবর একটা হাত মহুয়ার বগল এর নিচে দিয়ে ঢুকে একটা মাম টিপতে লাগল। মহুয়া বাধা দিলেও নায়েব মানল না বরন অন্য হাত দিয়ে শাড়ির বাধনটা খুলে সায়ার তলা দিয়ে গুদমুখ এ অগ্রসর হল। মহুয়া অস্বস্তিতে ছটফট করতে লাগল। নায়েব মহুয়ার কানটা কামরে ধরে ধুতির নিচের বাড়াটা মহুয়ার দাবনায় ঘসতে লাগল। রাগ অভিমান এ মহুয়ার কাদতে ইচ্ছা করছিল, এমনকি ড্রাইভার টাও মহুয়ার এই অবস্থা দেখতে দেখতে মজা নিচ্ছিল, আয়্নায় ড্রাইভারের চোখে চোখ পরে যায় মহুয়া। হঠাত প্রচন্ড জোরে ব্রেক মারল ড্রাইভার্।

গ্রামের মেয়ে মহুয়াকে ধর্ষণ

শব্দ করে গাড়িটা দাড়িয়ে পরল নিঃচুপ রাস্তাটার মাঝে। আকশ্মিক ব্রেক এ হুমড়ি খেয়ে পরল নায়েব ও মহুয়া। সামলে উঠে সরে যাওয়া আচল্, খুলে যাওয়া শাড়ির বাধন ঠিক করতে ব্যস্ত হয়ে পরল মহুয়া, নায়েব মহুয়াকে ছেড়ে বাইরে চোখ রাখল। বড়-সড় একটা গুড়ি রাস্তার আড়াআড়ি ফেলা, ড্রাইভার নায়েব মুখ চাওয়া-চায়ি করল। মুখটা তাদের কেমন ফ্যকাসে হয়ে গাছে লক্ষ করল মহুয়া। নায়েব আর ড্রাইভার বাইরে বেড়িয়ে একটা ব্যর্থ প্র্য়াস করল গুড়িটাকে সরানোর, আর তখনই ৫-৬টা লোক জঙ্গল থেকে বেড়িয়ে এসে ঘিরে ধরল তাদের। লোকগুলোর হাত এ লাঠি, পরনে ছোট ধুতি, মাথায় গামছা বাধা, পেশিবহুল শরীর। তাদের দেখে থড় থড় করে পা কাপতে লাগল ড্রাইভার ও নায়েবের। মহুয়ার হাত পা ঠান্ডা হয়ে গেল। নায়েব চিৎকার করল কে তোমরা? অন্ধকার রাস্তা থেকে আর একটা চরিত্র তাদের দিকে এগিয়ে এল, বেশ লম্বা, ফর্সাও বটে, পেশিবহুল শরীর্, অনেকটা রাজপুত্রের মত, বলল “চিনতে পারলে না নায়েব? আমি ডাকাত সর্দার সুর্য, আর এরা আমার সাঙ্গ্-পাঙ্গ” শুনেই নায়েব কাপতে লাগল, নায়েব বলল “আমায় ক্ষমা করে দাও, আমি মরতে চাই না, যা নেওয়ার নিয়ে নাও, আমায় ছেড়ে দাও”। “তোকে ছেড়ে দেব? হাঃ হাঃ হাঃ হাঃ” হেসে উঠল সূর্য “মার হারামজাদাকে, আর মাগিটাকে তুলে নিয়ে চল্”। শুনে হাড় হিম হয়ে গেল মহুয়ার। আদেশ শুনা মাত্র শুরু হল লাঠির প্রহার। ২-৩টে ঘা তেই কুপকাত হয়ে গেল নায়েব। দুটো ডাকাত গাড়ির গেট খুলে মহুয়ার উপর ঝাপিয়ে পরল, মহুয়াও হাত পা ছুরতে লাগল। কিন্তু ২টো পুরুষ শরীর এর কাছে পেরে উঠল না তার কোমল শরীরটা। ধস্তাধস্তিতে ডাকাতগুলো তার মাই টিপে দিল, গ্রামের মেয়ে মহুয়াকে ধর্ষণ

পাছায় হাত বুলালো এবং শেষমেষ তার হাত পা মুখ কাপড় দিয়ে বেধে ফেলতে সক্ষম হল। মহুয়ার নড়বার ক্ষমতাও থাকল না আর। তাকে চাগিয়ে নিয়ে গিয়ে তোলা হল অন্য একটা ভ্যান গাড়িতে সঙ্গে উঠল ৪-৫টা ডাকাত। নায়েব আর ড্রাইভারকে হাত পা বেধে রাস্তার ধারে ফেলে দিয়ে সর্দার আর বাকিরা উঠল ভ্যান এর কেবিনএ। গাড়ি চলতে লাগল গভীর জঙ্গলের রাস্তায়। কিছুক্ষন গাড়ি চলতে থাকলে ডাকাতগুলোর চোখ পরল মহুয়ার উপর। ধস্তাধস্তিতে এমনিতেই আচল সরে দেখা যাচ্ছিল ব্লাউজ বন্দি স্তনগুলো, কোমর এর বাধনও প্রায় খুলে শাড়িটা নাভির নিচে নেমে গেছিল অনেকটাই, এমনকি নিচের দিক থেকেও শাড়িটা উঠে গেছিল ফর্সা পায়ের উচু হাটু ২টোর উপর্। এসব দেখে ডাকাত গুলর বাড়া শক্ত হয়ে উঠল। একজন মাই এর উপর হাত রাখল, মহুয়া চেস্টা করেও নড়তে পারল না, লোকটা টিপতে লাগল মাই ২টো, অন্যরাও হাত বাড়াল, একজন পেটে হাত বুলাতে লাগল, আর একজন শাড়িটা আরও তুলে দাবনায় হাত ঘসতে সুরু করল। আজ অন্তত ৬টা বাড়া তার গুদে ঢুকবেই, এরা তাকে ধর্ষন করে তবেই ছারবে, চোখ বুজে নেয় মহুয়া।”মাগিটার গায়ে কেউ হাত দিলে আমি তার হাত কেটে নেব” কেবিন থেকে সর্দারের গম্ভীর হুংকার শুনা মাত্র মহুয়াকে নিয়ে ডাকাতদের জলসা থেমে গেল। সূর্য রেগে গেলে কি করতে পারে তারা জানে ভাল ভাবে। এ যাত্রায় বেচে গিয়ে বাকিটা রাস্তা পাথরের মত পড়ে থাকল মহুয়া। গাড়িটা যেখানে এসে থামল সেখানে একটা পুরানো বাংলো বাড়ি। মহুয়া বুঝল এটাই ডাকাতদের ঠিকানা, বেশ কয়েকটা মেয়েকেউ দেখতে পেল সে। মহুয়া বুঝতে পারল এরা সকলেই ডাকাতদের সজ্জাসঙ্গীনী, তবে এরা বেস আনন্দে আছে বলেই মনে হল তার। মহুয়াকে নিয়ে গিয়ে ফেলা হল একটা আলাদা ঘরে, নরম পালংকের উপর।ঘরটা বেশ সাজানো গোছানো, দামী আসবাবপত্র রয়েছে। নরম পালংকে শরীরটা এলিয়ে দিতেই ঘুম এসে যায় তার, শরীরটার উপর অনেক ধকল গেছে আজ, প্রথম এ নায়েব এর শয়্তানী, তারপর ডাকাতদের অত্যাচার, ঘুমিয়ে পরে মহুয়া।গ্রামের মেয়ে মহুয়াকে ধর্ষণ

পিঠের উপর একটা পুরুষ হাতের স্পর্সে ঘুম ভাঙে মহুয়ার। সংযত হওয়ার চেস্টা করে মহুয়া। হাত বাধা থাকায় ব্যর্থ হয় সে, তবে সে লক্ষ্য করল তার মুখ ও পায়ের বাধনটা খুলে দেওয়া হয়েছে। তবে কি সে এবার চিৎকার করে নিজের সন্মান বাচানোর চেস্টা করবে? প্রশ্নটা মনে আসতেই সুর্য বলল ” চিৎকার করে কোন লাভ হবে না এখানে ” ডাকাত সর্দার সুর্য তার পিছনেই সুয়ে, ঘুরে দেখল মহুয়া। অন্ধকার রাস্তায় শুধুই গ্রীক দেবতাদের মত শরীরটা আর গায়ের রঙটা দেখতে পেয়েছিল মহুয়া, মাঝে মাঝে গম্ভীর গলাটাও শুনেছে। তবে এক বিছানায় শুয়ে সদ্য স্নান সেরে ফেরা সূর্যকে তার বছর ২৫ এর যুবক-ই মনে হল। টিকাল নাক, পুরুষ্ঠু ঠোট্, ঘন কালো চুল, লোমএ ভর্তি চৌওরা বুকটাও চোখে পরল মহুয়ার।

– জল খাবে? কথাটা শুনে স্তম্ভিত ফিরল মহুয়ার।
– কেন এনেছ আমায় এখানে? রাগী গলায় জিজ্ঞাসা করে মহুয়া
– এটা তো আমার প্রশ্নের উত্তর হল না সোনা। চিত হয়ে পড়ে থাকা মহুয়ার পেটে হাত রাখে সূর্য।
– আমায় ছেড়ে দাও, আমায় বাড়ি যেতে দাও। হাতের ছোয়ায় অস্বস্তির লক্ষণ মহুয়ার মুখে।
– কোথায় যেতে চাও তুমি? ওই বুড়ো নায়েবের বিছানায়? নাভির চারদিকে আঙ্গুল ঘুরাতে ঘুরাতে প্রশ্ন করল সূর্য।
– আমি কোথায় যাব আমার ব্যাপার। তুমি আমায় ছেড়ে দাও।– ছেড়ে দেওয়ার হলে তখনই ছেড়ে দিতাম, আমার সাঙ্গ্-পাঙ্গদের হাতে।

ধর্ষণ

নাভী থেকে হাতটা তুলে নিল সূর্য। “কিন্তু তোমায় তো আমার দোসর বানাব ঠিক করেছি অন্যের হাতে কি করে ছাড়তে পারি?” চিবুকটা ধরে মহুয়ার মুখটা নিজের দিকে টেনে বলে সূর্য। মহুয়া একদৃষ্টিতে চেয়ে থাকে সূর্যর চোখে। “সুমুচচমুচ্” কিছু বুঝে ওঠার আগেই সূর্য শব্দ করে একটা চুম্বন এঁকে দেয় মহুয়ার ফোলা ফোলা রসালো ঠোটএ। লজ্জায়- রাগে উল্টো দিকে মুখ ঘুরিয়ে নেয় মহুয়া। কানের পাতাটা মুখের কাছে পেয়ে যেতেই হালকা কামড় দেয় সূর্য। “উমমম্” আওয়াজ করে মহুয়া। য্তই হোক যৌবনের রসে পরিপুর্ণ নারী সে, একটা সৌর্য্যধারী সবল পুরুষের ছোয়ায় সাড়া না দিয়ে কি থাকা যায়? তবুও মনে প্রশ্ন আসে তার, এভাবে পরপুরুষের হাত এ নিজের শরীরটা সপে দেওয়া যায় নাকি? চাইলেই কি নিজের নারীঅঙ্গে ঢুকিয়ে নেওয়া যায় পরপুরুষের…

ইসস ছি ছি, কি করে আসছে এসব চিন্তা তার মনে? কয়েক ঘন্টা আগেই তো নায়েবের হাতের সিন্দুর সিঁথিতে মেখেছে সে। সূর্যর খুনসুটি থেমে থাকে না, ক্যানভাস এ তুলি বোলানোর মত করে বাম হাতের তর্যনীটা কানের পাতার পিছন থেকে মহুয়ার গাল, চিবুক, গলা, কাধে স্পর্শ করতে করতে স্তন ২টোর মাঝের বিভাজিকার উপর এসে থামে, চোখ বন্ধ করে অস্থির ভাবে ঘন ঘন শ্বাস নিতে থাকে মহুয়া, উধ্যত স্তন ২টো থর থর করে কাপতে থাকে ব্লাউজের ভীতর থেকে।থর থর করে কাপতে থাকা স্তনগুলো দেখে বাড়াটা খাড়া হয়ে যায় সূর্যর্। পরনের কাপড়টার উপর দিয়েই সেটা খোঁচা মারতে থাকে মহুয়ার বাঁ পাশের দাবনায়। অপেক্ষা না করে একটা মাই তালু বন্দি করে টিপতে শুরু করে সুর্য্, “আআআহহ্হ্হ্” যৌন শীৎকার দিয়েও ঝট-পটিয়ে ওঠে মহুয়া। হাত বাধা অবস্থাতেই প্রতিরোধ করতে থাকে “আহ্, ছাড় আমায়, তুমি আমায় অপহরণ করেছ, তোমার শয্যাসঙ্গীনী আমি হতে পারব না, আমায় আমার স্বামীর কাছে যেতে দাও।”

প্রতিরোধ পেয়ে সূর্য আরও বাহুবন্ধন শক্ত করল, চিত হয়ে শুয়ে থাকা মহুয়ার উপর চড়ে কোমরের শক্তিতে মহুয়ার তলপেট চেপে ধরল বিছানার সাথে, ২টো পা দিয়ে মহুয়ার পা দুটোকে পেচিয়ে ধরে নড়াচড়া একেবারেই বন্ধ করে দিল মহুয়ার্। “দেখ এখানে য্তগুলো মেয়েকে থাকতে দেখছো এদের সকলকেই অপহরণ করেছি আমরা, এখন প্রত্যেকেই কোন না কোনও ডাকাতের সাথে সংসার করছে, নিয়মিত চোদা খাচ্ছে, কখনও কখনও ২টো বাড়াও একসাথে চুদিয়ে নিচ্ছে, আর প্রত্যেকেই খুব খুশিতে আছে এখানে, আর তুমি তো আমার লিঙ্গধারিনী হবে, তোমায় আমি রানীর হাল এ রাখব, আর এতে যদি তুমি খুশি না হও তাহলে ফিরে যেতে পার ওই হারামজাদা নায়েবের কাছে, যে তোমায় শুধুই ভোগ করবে, কোনদিনও সুখ দিতে পারবে না” কথাটা শেষ করেই সূর্য নেমে পরে মহুয়ার উপর থেকে খুলে দেয় হাতের বাধন, “যাও চলে যাও এখান থেকে, কেউ তোমায় আটকাবে না।”

গ্রামের মেয়ে সে অন্ধকারকে ভয় পায় না। চাঁদের আলোয় হাটতে থাকে মহুয়া। তবে মনের ভিতর যে প্রশ্নগুলো উৎপন্ন হতে লাগল তাতে অন্য একটা ভয় জেগে উঠল। এভাবে ডাকাত অপহৃত একটা মেয়েকে কি গ্রহণ করবে তার ধর্মমতে স্বীকৃত স্বামী? স্বামী গ্রহণ না করলে কি বাবা-মায়ের কাছেই থাকতে হবে তাকে? বাবা-মা ই বা কি প্রতিক্রিয়া করবে? আর গ্রামের অন্যরা? গ্রামের মোড়ল-মাথা লোকগুলো? ওরা তো রিনাকেউ তাড়িয়ে দিয়েছিল। ফিরে গিয়ে কি তাকে তার সতিত্বের পরীক্ষা দিতে হবে সীতা দেবীর মত? মনের মধ্যে প্রশ্নের তিরগুলো এলোপাথাড়ী উড়ছিল। হাটতে হাটতে পা দুটো ভারী হয়ে আসে। আর তাতে যদি কাজ না হয় তাহলে তো সারাজীবন সমাজের কাছে ব্রাত্য হয়ে থাকতে হবে। কিন্তু এরাও তো সমাজের ব্রাত্য, এই ডাকাত নারী পুরুষগুলো এরা তো এত আনন্দে আছে এখানে।

তাছাড়া সূর্য তো তাকে রানি বানানোর প্রস্তাব দিয়েছে। ডাকাত হোক ছেলেটা তো খারাপ নয়। চাইলেই ধর্ষণ করতে পারতো সূর্য, তাকে ছেড়ে দিতে পারত খুধার্ত ডাকাতদের হাতে, কিন্তু তা তো করেনি, আর সূর্যর বলা কথাগুলোও ভুল ছিলনা, তা তো নিজের চোখেই দেখে এসেছে মহুয়া, মেয়ে গুলো তো সত্যি ই খুব আনন্দে আছে। আর নায়েবের হাতে নিজের যৌবন তুলে দেওয়ার থেকে রসবতী শরীরটা সূর্যর মত সমর্থ যুবকের কাছে সমর্পণ করাটাই শ্রেয় হবে। আর শরীর স্বাস্থে তার স্বপ্নের রাজকুমারের মতনই কাঠামো সূর্যর্। নিজ পায়ে আর এগিয়ে যেতে পারে না মহুয়া অদৃষ্টের দিকে। মনের দোটানায় মাথা ভারী হয়ে আসে। রাস্তার ধারের পাথরটার উপর বসে পরে সে। নিয়তি তাকে একি পরিস্থিতিতে ফেলল? চোখ দিয়ে কান্না ফেটে পরে তার। ফুপিয়ে কাঁদতে থাকে মহুয়া বেশ কিছুক্ষন। কান্না থামতে মনটা বেশ হালকা লাগে তার। মনটা প্রশ্নশূন্য হয়ে যায়্। ঝিঁঝিঁ পোকার আওয়াজটা এখন বেশ কানে আসছে তার। ওরাও যেন মহুয়াকে কিছু বলছে। দুরের শিয়ালগুলো সমবেত স্বরে রেওয়াজ করছে।

শরীরটা কেমন শিরশির করে ওঠে, অন্ধকারটাকে হঠাৎই ভয় লাগছে মহুয়ার। স্বপ্নের রাজকুমারকে জড়িয়ে ধরতে ইচ্ছা করছে তার। পাশের গাছটার মাথা থেকে প্যাঁচাটা ডেকে উঠতেই ভয়ে দাড়িয়ে পরে মহুয়া, বুকের ভিতরটা কেমন ধড়পড় করে উঠে, প্রচন্ড জোড়ে হাঁটা শুরু করে মহুয়া ডাকাতবাড়ির উদ্দেশ্যে। এক সময় প্রায় দৌড়াতে শুরু করে। কিছুক্ষণ পরেই পুনরায় ডাকাতবাড়িটা দেখতে পায় সে। বড় দরজাটা দিয়ে ঢুকেই সূর্যর ঘরটার দিকে এগোতে থাকে মহুয়া। সূর্যকে কিছু বলার আছে তার, এখানেই থেকে যেতে চায় সে। বেশ তাড়াতাড়ি হাটতে হাটতেও নাচঘরটার দিকে চোখ যায় তার। রতিক্রীড়ায় ক্লান্ত শরীরগুলো একে অপরকে জড়িয়ে সুখের ঘুম দিচ্ছে। রিনা গোটা গায়ে বীর্য মেখে একটা লোককে বুকে জড়িয়ে ঘুমাচ্ছে। সূর্যর ঘরটার দিকে এগিয়ে যায় মহুয়া। মধ্যবয়সী মহিলার ঘরটার আলো তখন নিভে গেছিল। মহুয়া পর্দা সরিয়ে সূর্যর ঘরে ঢোকে। সূর্য বিছানায় শুয়ে চিত হয়ে। পরনের আবরণ সব খুলে সম্পূর্ন নগ্ন হয়ে ঘুমাচ্ছে। “বড্ড অসভ্য তো ছেলেটা, রাতে কেউ এভাবে ঘুমায়?” মনে মনে ভাবে মহুয়া। সূর্যকে এই অবস্থায় দেখে লজ্জায় লাল হয়ে গেল মহুয়া। তবে চোখ সরল না তার। হয়্ত সূর্য জেগে থাকলে চোখ নামিয়ে নিত সে।

কিন্তু সূর্য তো ঘুমাচ্ছে, মহুয়া দৃশ্যটা উপভোগ করতে থাকে। চওড়া লোমশ ছাতিটা, কোমরটা সরু, পেটের পেশীগুলো সুস্পষ্ট্। পেশীবহুল ফর্সা ২টো বাহু শরীরটার দুপাশে ছড়িয়ে আছে। লম্বা শক্ত- পোক্ত পা ২টো সামান্য ফাঁক হয়ে আছে, আর তার মাঝ দিয়ে বড়ো মোটা সিঙ্গাপুরী কলার মত বাঁকা লিঙ্গটা বেড়িয়ে এসে তলপেটের উপর পরে আছে। সূর্য বেশ ফর্সা হলেও লিঙ্গটা শরীরের তুলনায় কালো আর লিঙ্গমুখটা ছাড়ানো কলার মত চামড়াটাকে উল্টে বেরিয়ে এসেছে, লিঙ্গের গোড়াটা ছোট ঘন চুলে ঢাকা। আচ্ছন্ন হয়ে যায় পড়ে মহুয়া। ছোট বেলায় খেলনা-বাটি খেলেছে সে, এটাও তো খেলা করার জন্য বেশ ভালো একটা খেলনা, যদিও শুধুই প্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের জন্য। হাতে ধরে দেখতে ইচ্ছা করে তার। নিজেকে সামলে নেয়। শরীরটা বেশ ক্লান্ত লাগছে মহুয়ার। শরীরটা এলিয়ে দিতে ইচ্ছা করছে। কিন্তু কোথায়? বিছানায় তো ল্যাংটো পুরুষটা শুয়ে আছে। আর না হলে এই ধুলো মাখা মেঝে। “না না সূর্য তো ঘুমাচ্ছে, এখন কিছু করবে না সে। কিন্তু ভোরে যদি আগে উঠে পরে তখন তো চুদে দিতে পারে? ধুরর যা পারে করুক” নিজেকে সমর্পণ যখন করতেই হবে তখন আজ না কাল ভেবে লাভ নেই। মহুয়া বিছানায় উঠে নগ্ন শরীরটা থেকে ইন্চি ছয়েক ফাক রেখে পাছাটা সূর্যর দিকে রেখে পাশ ফিরে শোয়।
সূর্যর গরম নিঃশ্বাস মহুয়ার বুকের উপর পরছিল্। মহুয়াও নাগরের শরীরটাকে সাপের মত জড়িয়ে হাঁপাচ্ছিল্। কিছুক্ষণের বিশ্রামের পর সূর্য আবার বাহুবন্ধন শক্ত করল। মহুয়াকে একটু ঝাকিয়ে বলল

-“গুদটা রসে প্যাচ প্যাচ করছে গো”

-“সে তো তোমার ওটাও করছে” মুচকি হাসলো মহুয়া

-“তাই তো বলছি….” কথাটা শেষ করল না সূর্য্

-” কি? ” অবাক সুরে জিজ্ঞাসা করল মহুয়া

-“রসালো বাড়াটা ধুকিয়ে দি ভিজে চপ চপে গুদে”

লজ্জায় মুখ নামিয়ে নেয় মহুয়া। মহুয়ার আপত্তি সূচক ইশারা নেই দেখেই সূর্য মহুয়ার শরীরটাকে আবার ঘাটতে শুরু করে। মহুয়ার কোমরটা পাঁজাকোলা করে মহুয়াকে চিত করে বিছানায় ফেলে সূর্য। মহুয়ার শরীরের উপর উঠে পরে সরীসৃপের মত বুকের দুপাশে হাত রেখে মাইগুলোয় ফের মুখ গুঁজে দেয় সূর্য। অতর্কিত আক্রমণে সামান্য শিহরিত মহুয়া মরদের কাঁধ্, মাথা আঁকড়ে ধরে। সূর্যর চুলমুঠি খামচে ধরে মাথাটা নিজের বুকের মাঝে চেপে রাখতে চায় অনন্তকাল। কিন্তু মহুয়ার বাহুবন্ধনের প্রতিকূলে মাথাটা নামতে শুরু করে।

অসংখ্য চুমু আর চোষনে ভরিয়ে সূর্যর মাথাটা মাই, বুক, পেট হয়ে নাভীর উপর থামে। নাদুস পেটের মাঝে চাপ্টা সুগভীর নাভিটা যেন বিস্তৃত মরুভুমির মাঝে একটা কুয়ো, আর সূর্যর তৃষ্ণার্ত জিভটা কুয়োর গভীরে প্রবেশ করে যৌবন তৃষ্ণা মেটাতে। নাভিতে পুরুষ্ঠ জিভের প্রতিটি খোঁচায় কেঁপে কেঁপে ওঠে মহুয়া। সূর্যর বাহুবন্ধনেই শরীরটা মোচড়াতে থাকে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here